×
ব্রেকিং নিউজ :
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী নববর্ষ উদযাপনে ঢাবিতে বৈশাখী উৎসব আয়োজন ছাত্রদলের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডে বদলে যাবে দেশের কৃষি অর্থনীতি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী নববর্ষে বাঙালি সাজে মুগ্ধতা ছড়ালেন বিদ্যা সিনহা মিম পহেলা বৈশাখের প্রেরণায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে: শ্রমমন্ত্রী দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে: জামায়াত আমির
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৫-০৬
  • ২৩৩৪৬৯২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেন এবং পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার।
পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোঃ তৌহিদ হোসেনকে ফোন করে ভারতের সাথে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আলোকে ইসলামাবাদের অবস্থান এবং গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেছেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ আজ সন্ধ্যায় তার মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “গত রাত ৮টায় তিনি আমাকে ফোন করে ঠিক কী ঘটেছে এবং পাকিস্তান এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে তা আমাকে অবহিত করেছেন।” 

উপদেষ্টা বলেন, কথোপকথনের সময় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার কাছ থেকে কোনও সহায়তা বা সুনির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া চাননি।

তিনি আরও বলেন, “আমি কেবল বলেছি যে, আমরা এ অঞ্চলে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখতে চাই।” 
তিনি আরও বলেন, “উত্তেজনা কমানোর জন্য ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে যা উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে। আমাদের প্রত্যাশা হচ্ছে যে, আমরা চাই যে কোনও সমস্যা সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হোক।” 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যদি নয়াদিল্লি এই বিষয়ে তার মতামত জানতে চায়, তাহলে তিনি একই বার্তা দেবেন।

তিনি আরও বলেন, “দিল্লি যদি আমার কাছ থেকে জানতে চায়, আমি ঠিক একই কথা বলব। যদি তারা আমাকে ব্রিফ করতে না চায়, তাহলে আমার আর কিছু বলার নেই।” 

তিনি বলেন, “পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে ফোন করার পর আমি তাকে বলেছি যে, আমরা শান্তি চাই, আমরা এখানে কোনও সংঘাত চাই না।”

এদিকে, ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের মাধ্যমে এক বিবৃতিতে বলেছে যে, উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী “ভারতের ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং একতরফা পদক্ষেপ, বিশেষ করে সিন্ধু পানি চুক্তির বিধান স্থগিত করার স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত” গ্রহন করার ফলে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনা সম্পর্কে বাংলাদেশের উপদেষ্টাকে অবহিত করেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, " পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং উত্তেজনা হ্রাসের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে সকল পক্ষের সংযম প্রদর্শনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।" 

উভয় পক্ষই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং নিয়মিত উচ্চ-পর্যায়ে যোগাযোগ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat