×
ব্রেকিং নিউজ :
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা হেজবুল্লাহর সংসদ সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের আহ্বান আসিফ মাহমুদের ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০১৮-১০-০৭
  • ৪৯৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যায় সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড বহাল
নিজস্ব প্রতিনিধি:-সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলি হত্যার দায়ে সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন খারিজ করে দেন। আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাইফুল ইসলাম মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আখতার হামিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। রায়ে আসামি সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ড এবং আল আমিন, আকবর আলী লালু ও রফিকুল ইসলাম খোকনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মামুন রিভিউ আবেদন করেন। খালাফকে হত্যার অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ অক্টোবর আসামি সাইফুল ইসলাম মামুন, আল আমিন, রফিকুল ইসলাম খোকন, আকবর আলী লালু ও সেলিম চৌধুরী ওরফে সেলিম আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিচার শেষে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪। এরপর মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল আবেদনের শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্ট সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে আল আমিন, রফিকুল ইসলাম খোকন ও আকবর আলী লালুর সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পলাতক আসামি সেলিম চৌধুরীকে খালাস দেন। ২০১২ সালের ৫ মার্চ মধ্যরাতে গুলশানের কূটনৈতিক এলাকার ১২০ নম্বর রোডের ১৯/বি নম্বর বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন খালাফ। পরদিন ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। এর পরে ওই বছরের ৪ জুন রাজধানীর দক্ষিণখান থানার গাওয়াইর এলাকা থেকে সাইফুল ইসলাম মামুন, আকবর আলী লালু ওরফে রনি ও আল আমীন নামের তিনজনকে একটি রিভলবারসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁরা স্বীকার করেন, খালাফকে ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ার কারণে ওই রিভলবারের গুলিতে হত্যা করা হয়। পরে খালাফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন তিনজনই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat