×
ব্রেকিং নিউজ :
ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে শিক্ষাব্যবস্থায় গুণগত সংস্কার ও দ্রুত কারিকুলাম প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সকল প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে: দীপেন দেওয়ান নওগাঁয় শিশু সুরক্ষা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা রোগীদের প্রতি চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সিরাজগঞ্জে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালকে ৫শ’ বেডে উন্নীত করা হবে : মির্জা ফখরুল রমজানের পরই সিটি করপোরেশন নির্বাচন : ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ১৩ দিনেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২১-০১-২২
  • ৮৫৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী কাইয়া টিন জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে দু’দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি বলেন, এছাড়া বাংলাদেশসহ সকল প্রতিবেশী দেশের সাথে শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান ও পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ক সমস্যা সমাধানে মিয়ানমার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনকে লেখা এক পত্রে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী কাইয়া টিন এসব কথা বলেন।
মিয়ানমারের মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার প্রতিবেশী দেশের সাথে পারস্পারিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে যেকোন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ের সমাধান করতে চায়। গত ১৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চীন, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দ্রুত প্রত্যার্বাসন শুরুর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
কাইয়া টিন বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো তিনিও মনে করেন করোনা মহামারির কারণে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন জাতির মধ্যে পারস্পারিক সংহতি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। পারস্পারিক অলোচনার ভিত্তিতে ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার বিষয়টি মিয়ানমারের মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
কাইয়া টিন ড. মোমেনের সুস্বাস্থ্য এবং বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। গত ১ জানয়ারি মিয়ানমারের মন্ত্রী পত্র প্রদানের জন্য ড. মোমেনকে ধন্যবাদ জানান। কাইয়া টিন ও ড. মোমেন একই সময়ে জাতিসংঘে নিজ নিজ দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং সেসময় থেকে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat