×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২২-১০-১০
  • ৮৮২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বগুড়া জেলায় আজ সদর উপজেলার শাজাহান আলী হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয়মাস কারাদন্ডের দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার বেলা ১২ টায় বগুড়ার ১ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হাবিবা মন্ডল এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলো- বগুড়া সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ মৃধা, উজ্জল আকন্দ, সবুজ আকন্দ, আব্দুল মান্নান, জুয়েল প্রাং, পিলু খন্দকার, বিপ্লব মিয়া, রাসেল মিয়া, মোখলেছার রহমান মুকুল, আ. হামিদ খোকা আকন্দ ও জাহেদুল রহমান। দন্ডিত ব্যক্তিরা সবাই সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের দক্ষিনভাগ এলাকার বাসিন্দা।
দন্ডপ্রাপ্ত ১১ জনের মধ্যে তিনজন- জুয়েল প্রাং, বিপ্লব মিয়া ও রাসেল মিয়া পলাতক। পলাতক আসামীদের আত্মসমর্পণ ও গ্রেফতারের দিন থেকে সাজার মেয়াদ গণনা শুরুর নির্দেশনা দিয়েছে আদালত।
এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি নাছিমুল করিম হলি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জেলার সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ১১ ফেব্রুয়ারি হামলার শিকার হন শাজাহান আলী (৬২)। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে ওই বছরই ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় শাজাহান আলীর আপনভাই মাহমুদুর বাদী হয়ে বিএনপি নেতা মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে রশিদ মৃধা-সহ ১২ জনকে আসামি করে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমানের ভিত্তিতে এ মামলার ১২ আসামির মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় অপর আসামি আলমগীর হোসেনকে বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় বাদি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্ডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব ও এ্ডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat