×
ব্রেকিং নিউজ :
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাব দেওয়ার ঘোষণা হেজবুল্লাহর সংসদ সদস্যদের প্রতি রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের আহ্বান আসিফ মাহমুদের ১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান রাষ্ট্রপতির কাছে পিএসসি’র বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ খামেনির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’:শেহবাজ শরিফ পরিবারের সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সরকারের একটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনি হত্যাকাণ্ড ‘মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’: ইরানের প্রেসিডেন্ট ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৯.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১১-৩০
  • ৪৩৫৪৫৬৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ওষুধ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর সংকট দেখা দিয়েছে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে। এতে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা।

হাসপাতালটিতে ৬১ ধরনের ওষুধের মধ্যে বর্তমানে ২৬ ধরনের ওষুধের কোনো সরবরাহ নেই। সেই সঙ্গে ফিল্ম সংকটের কারণে বিগত এক মাস ধরে বন্ধ ডিজিটাল এক্স-রে। হাসপাতালের বাইরে থেকে অতিপ্রয়োজনীয় এ পরীক্ষা করাতে গিয়ে রোগীদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, বহির্বিভাগে বেশিরভাগ রোগীই তাদের চাহিদা মতো ওষুধ পাচ্ছেন না। বিশেষ করে ঠান্ডাজনিত ও হার্টের রোগীর ওষুধ সরবরাহ করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

বহির্বিভাগে ওষুধ নিতে আসা আসমা আক্তার   বলেন, চিকিৎসক তিন ধরনের ওষুধ লিখেছেন। কিন্তু এখানে কোনোটাই পাইনি। এখন বাইরে থেকে কিনতে হবে। আবাসিক রোগীদের স্যালাইন থেকে শুরু করে বেশিরভাগ ওষুধই বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। ওষুধ বিতরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, আবহাওয়া পরিবর্তন ও রাস্তাঘাটে ধুলাবালির কারণে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষই ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু এ ওষুধের সরবরাহ সবচেয়ে কম। বিশেষ করে চাহিদা থাকার পর মন্টিকিউলাস গ্রুপের ওষুধের কোনো সরবরাহ নেই হাসপাতালে।

হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার সরকার  বলেন, এ বছর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে কুষ্টিয়া জেলায় রেকর্ড পরিমাণ শিশু ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এ দুই মাস হাসপাতালটিতে ২০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন প্রায় ৩০০-৪০০ শিশু ঠান্ডাজনিত রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি থেকেছে। এসময় প্রচুর ঠান্ডাজনিত রোগের ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে হাসপাতালের নিচতলায় এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি রুমে প্রবেশ করতেই একটি নোটিশ চোখে পড়ছে। তাতে লেখা, ডিজিটাল এক্স-রে আপাতত বন্ধ।

সেখানে দায়িত্বরত কম্পিউটার অপারেটর কৃষ্ণ কুমার জানান, ফিল্মের অভাবে মাসখানেক ধরে ডিজিটাল এক্স-রে বন্ধ। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কেউ আসে বলে মনে হলো না। অথচ ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।

এ বিষয়ে তাপস কুমার সরকার বলেন, কুষ্টিয়াসহ আশপাশের চারটি জেলার প্রায় এক হাজার মানুষ প্রতিদিন চিকিৎসাসেবার জন্য এখানে ভিড় জমান। অথচ আমরা বরাদ্দ পাই ২৫০ শয্যা হাসপাতালের। এজন্য ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সংকটে পড়তে হচ্ছে। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে ফিল্ম চলে এলে ডিজিটাল এক্স-রে শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ কর্মকর্তা। তবে কবে ওষুধের সংকট কাটবে এ বিষয়ে তেমন কোনো আশার সংবাদ তিনি দিতে পারেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat