×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২৫-০৫-০৪
  • ৩৪৪৫৭৮৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
অস্ট্রেলিয়ার সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে বিরোধীদলীয় নেতা পিটার ডাটনের পরাজয়ের পেছনে মূল কারণ ছিল তাঁর নিজের অবস্থান ও নেতৃত্বের দুর্বলতা—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সিডনি থেকে এএফপি জানায়, নির্বাচনের আগে ডাটন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে 'চতুর' ও 'দূরদর্শী চিন্তাবিদ' বলে প্রশংসা করলেও শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের ভুলেই নিজের আসনটা হারিয়ে বসেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং ডাটন উভয়েই নির্বাচনের প্রচারে ট্রাম্পের বিষয়ে কড়া অবস্থান নেন। তারা জোর দিয়ে বলেন, অস্ট্রেলিয়ার স্বার্থ রক্ষায় কেউই বাইরের কোনো নেতার চাপের কাছে নত হবেন না।

লেবার পার্টির সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ডের উপদেষ্টা এবং সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিসি ল্যাবের পরিচালক কেট হ্যারিসন ব্রেনান জানান, ডাটনের নেতৃত্বাধীন জোট ট্রাম্পের অনুরূপ কিছু নীতি অনুসরণ করেছিল। তার মতে, 'ট্রাম্প অবশ্যই নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছেন।'

'বিশ্বব্যাপী ট্রাম্পের সময় যে অস্থিরতা দেখা গেছে, তা অস্ট্রেলিয়রাও দেখেছে,' বলেন তিনি। 'এতে করে আলবানিজের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা সহজ হয়েছে যে, এমন এক অস্থির সময়ে তিনি শান্তিপূর্ণ ও কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারবেন।'

তবে সব বিশ্লেষকই ট্রাম্পকে ডাটনের পরাজয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন না। গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক পল উইলিয়ামস মনে করেন, 'ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে না থাকলেও আলবানিজ জিততেন।'

তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত ছিল লেবার পার্টির জন্য এক ‘টার্নিং পয়েন্ট’। তার মতে, 'এটা খরচ-জীবনঘনিষ্ঠ একটি নির্বাচন ছিল, তবে মজুরি যে ধীরে ধীরে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে, সেটাই পরিস্থিতি পাল্টেছে।'

উইলিয়ামস মনে করেন না যে ডাটনের নীতিগুলো ট্রাম্পের কাছ থেকে অনুপ্রাণিত। বরং তার অভিযোগ, ডাটন কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছেন যেমন পারমাণবিক বিদ্যুৎ চালু করার কথা, তবে সেগুলো ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। সরকারি চাকরিজীবীদের বাসা থেকে কাজ করা বন্ধের একটি প্রস্তাবও দ্রুত প্রত্যাহার করে নিতে হয় তাঁকে, যা নারী ভোটারদের বিরূপ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ বলেন, 'এই প্রচারের একটি সপ্তাহও এমন যায়নি, যেখানে ডাটন দিকবদল করেননি।'

পল উইলিয়ামসের মতে, 'অনিশ্চিত ভোটাররা ডাটনকে ট্রাম্পের মতো বলে এড়িয়ে যাননি না, তারা ডাটনকে এড়িয়ে যাওয়ার কারণ তিনি ডাটন।'

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat