×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০১৭-০৪-১৮
  • ৭৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সৌদি আরবে চাহিদার চেয়ে বেশী কর্মী প্রবেশ এর কারনে কাজ না পেয়ে হতাশ,বাংলাদেশিরা
 মোঃ মিজানুর রহমান, সৌদি আরব প্রতিনিধি: –জীবনের সহায় সম্বল বিক্রি করে পরিবারের অভাব-অন্টন দূর করতে একটু স্বচ্ছলতার আশায় নিজ দেশ ছেড়ে বাংলাদেশিরা আসেন সৌদি আরব। তারা সবাই কি শেষ পর্যন্ত সুখের দেখা পান? অনেকেই কাজের সন্ধানে এসে ঘুরছেন সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে। অনেকে পূর্ব নির্ধারিত কোনো কাজই পাননি। আবার যারা কোনোমতে একটি কাজ পেয়েছিলেন, তারা পাচ্ছেন না কাজের যথাযথ পারিশ্রমিক। ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অনেক বাংলাদেশি শ্রমিকরা। অথনৈতিক মন্দায় সৌদি আরবের অনেক কোম্পানি তাদের কর্মী ছাটাই শুরু করছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক সৌদি কর্মী নিয়োগ হচ্ছে। এতে প্রবাসী শ্রমিকের চাহিদা দিন দিন কমছে। অনেক ভুক্তভোগী জানান, কোম্পানির অবজ্ঞা-অবহেলায় পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না তারা। শুধু তাই নয়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হুমকি-ধমকি ও নিরবে সহ্য করতে হচ্ছ। অনেকে কপিল বা মালিকের লাভ দিতে না পেরে অবৈধ হয়ে যাচ্ছেন। রেজাউল নামের এক প্রাপ্ত বয়স্ক এক ব্যক্তি এক বছরের বেতন ভাতা না পেয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন, শেষ পর্যন্ত আইনের শেষ সুরাহা কবে হবে এমনটা ভেবে কোন রকম কোম্পানীর কাছ থেকে হিসাবের চেয়ে অনেক পাওনা নিয়ে আজ দেশে ফিরছেন। অনেকে নিরুপায় হয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সৌদি আরব বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকতা বলেন, যদি দেশ থেকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চুক্তিপত্র নিয়ে কেউ আসেন তাহলে বেকার থাকতে হয় না । এছাড়া শ্রমিকদের সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৌদি আরবে কর্মী যাওয়ায় জনপ্রতি এক লাখ ৬৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেয় সরকার। তবে শ্রমিকরা প্রায় ছয় থেকে সাত লাখ টাকা খরচ করে সৌদি যাচ্ছেন। বাংলাদেশের জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর হিসাবে, ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে বিদেশ যাওয়া মোট কর্মী সাড়ে ৮১ হাজার জন। এর মধ্যে সৌদি আরব গেছেন ৪২ হাজার ২৭২ জন, যা মোট কর্মী রপ্তানির প্রায় ৫২ শতাংশ।ফেব্রুয়ারিতে মোট কর্মী বিদেশ গিয়েছেন ৮৫ হাজার জন। এর মধ্যে সৌদি আরবে গেছেন ৫২ হাজার ২৫৬ জন, যা মোট কর্মীর সাড়ে ৬১ শতাংশ। মার্চ মাসে এক লাখ ৬ হাজার ৫০১ জন, এর মধ্যে সৌদি আরব গেছেন ৬৬ হাজার ৮২৮ জন, যা মোট কর্মীর প্রায় ৬৩ শতাংশ। জানা গেছে, কর্মী রপ্তানিতে দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে থাকা ওমান ও কাতারকে পেছনে ফেলে ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকেই শীর্ষস্থান দখল করেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরব। সেই নভেম্বরে শীর্ষে থাকা সৌদি আরবে কর্মী এসেছিলো ২৭ হাজার ৭৮৪ জন। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে সেটি আকাশছোঁয়া গতি পায়। ২০১৭ সালের প্রথম তিন মাসে গত এক বছরের চেয়ে বেশি কর্মী রপ্তানি হয়েছে। জানুয়ারি থেকে মার্চে মোট কর্মী এসেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৬ জন। অতিরিক্ত কর্মী আসার বিষয়টি ‘উদ্বেগজনক’ জানিয়ে দূতাবাসের এক কর্মকতা বলেন, “এখনই কারণ অনুসন্ধান করে কারগরি প্রশিক্ষণ ও শ্রমিকদের দক্ষ করতে হবে। তবুও যদি কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকে, তাহলে এত কর্মী আসা বন্ধ করতে হবে। এর সঙ্গে মুনাফালোভী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো দায়ি থাকতে পারে। অনেক পেশায় চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও অনেকে কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি করে বা ভুল বুঝিয়ে সৌদি আরবে কর্মী নিয়ে আসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat